


১৫ই জুন রবিবার ২০২৫ পশ্চিম বর্ধমান জেলা, রাণীগঞ্জ গার্লস কলেজ অডিটোরিয়ামে সকাল ন’টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় বঙ্গীয় গ্রন্থাগার পরিষদের শতবর্ষ উদযাপন।
আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে মাননীয় তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় রানীগঞ্জ বিধানসভা। উপস্থিত ছিলেন শ্রী বিমান উপাধ্যায় মহানগরিক আসানসোল পৌর নিগম, নির্মাল্য অধিকারী চেনা গ্রন্থাগার আধিকারিক পশ্চিম বর্ধমান। মাননীয়া রক্ত ছবি দে অধ্যক্ষ রানিগঞ্জ গার্লস কলেজ। ড, শ্যাম সুন্দর করে সভাপতি বঙ্গীয় গ্রন্থাগার পরিষদ। একটি অশোক গোস্বামী সম্পাদক বর্ধমান পশ্চিম জেলা শাখা।
কত কৃষ্ণপদ মজুমদার সভাপতি বঙ্গীয় গ্রন্থাগার পরিষদ, ড, জয়দীপ চন্দ্র কর্মসচিব বঙ্গীয় গ্রন্থাগার পরিষদ, বঙ্গীয় গ্রন্থাগার পরিষদের আজীবন সদস্য শ্রী বলাইচন্দ্র মন্ডল, বাঙালি বিশ্বকোষের সম্পাদক কবি র আব্দুল করিম, শ্রী শ সন্ত ঘোষ, সুতপা ভূই, অশোক গোস্বামী, লক্ষীনারায়ণ রায়, বিশ্ববরণ গুহ, তৈয়ব খান, দিলীপ নায়েক, সুস্মিতা বোস গোস্বামী, ড, বেলা মন্ডল, সুবর্ণ চক্রবর্তী প্রমূখ।
পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গ্রন্থাগারিকের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো প্রায় ২৮০ জন মতো গ্রন্থাগারিকের উপস্থিতিতে সভা কক্ষ ভরে ওঠে।
সকলের বক্তব্যে উঠে আসে গ্রন্থাগারের করুন অবস্থার কথা। নতুনভাবে গ্রন্থাগারের নিয়ম বন্ধ থাকায় বেশিরভাগ গ্রন্থাগার বন্ধ হয়ে রয়েছে। একজন গ্রন্থাগারিক তিনটি বা চারটি করে গ্রন্থাগারের দায়িত্বে রয়েছেন যে কারণে সারা সপ্তাহ ধরে গ্রন্থাগার খুলে রাখা সম্ভব হয়নি। সরকারের উদাসীনতার কথা উঠে আসে। ১৯২৫ সালে সূচনা হয়েছিল বঙ্গীয় গ্রন্থাগার পরিষদের। সারা রাজ্যে প্রায় 15 টি জায়গায় অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শতবর্ষ উদযাপিত হচ্ছে। উপস্থিতির মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত অনেক গ্রন্থাগারিক উপস্থিত ছিলেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের গ্রন্থাগার এর কথা উঠে আসে। সেই তুলনায় আমাদের বর্তমান পরিস্থিতি খুবই করুণ।
আব্দুল করিম তার বক্তব্যে বলেন মাতৃভাষাকে আসার সম্মান রাখা কঠিন। সকলকে বাঙালি বিশ্বপ্রশে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। পৃথিবীর ৫০ টি দেশের মানুষ বাংলা ভাষাভাষী যুক্ত হয়েছেন এই বার্তা তুলে ধরেন। লাইব্রেরী শিক্ষাব্যবস্থার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ এ কথা উঠে আসে। জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষিত হয়।


