চৌঠা মে রবিবার 2025 সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হল বাংলা ভাষা ও সাহিত্য সম্মেলন। আনুষ্ঠানিক উন্মোচন করেন প্রদীপ প্রজ্জলনের মধ্যে দিয়ে ভূতপূর্ব পূর্ব রেজিস্টার বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় ড, রনজিত ধর, স্বামী সমানন্দজি গিরি মহারাজ, স্বামী আত্মকানন্দজি মহারাজ, মহর্ষিনি মাতাজী, অধ্যক্ষ ডঃ কামাল উদ্দিন, সাহিত্যিক পৃথ্বীরাজ সেন, দিলীপ বিশ্বাস, সুনীল চক্রবর্তী, কবি হাজী আবু কাওছার, কবি বলাই মন্ডল, কবি মনোরঞ্জন হালদার, প্রবীণ কবি বিশ্বনাথ ভট্টাচার্য, কবি চন্দ্রশেখর সরকার, কবি বেলাল আহমেদ, কবি কামনা দেব, কবি নির্মাল্য, এস কে বান্টি, কবি রাধাকান্ত সরকার, বাঙালি বিশ্ব কোষের প্রধান সম্পাদক কবিও শিশু সাহিত্যিক আব্দুল করিম, কবি সৈয়দা বেগম বেগম, প্রমূখ।
উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক আমার ভারত পত্রিকার সম্পাদক শাকিল আহমেদ।
উন্মোচিত হয় আন্তর্জাতিক আমার ভারত পত্রিকা।
পৃথিবীর প্রায় ২২ টি দেশে বসবাসকারী বাংলা ভাষাভাষী মানুষ এই পত্রিকায় তাদের লেখা দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন।
বক্তব্যে আব্দুল করিম বলেন- “পৃথিবীর সমস্ত দেশে বাংলা ভাষাভাষী মানুষের উপস্থিতি ঘটেছে বাঙালি বিশ্বকোষ করতে গিয়ে যে তথ্যগুলো কাছে আসছে। তবে আমাদের পশ্চিমবাংলা সহ ভারতের আসাম উড়িষ্যা ত্রিপুরা ঝাড়খন্ড এবং বিহারে বসবাসকারী বাংলার ভাষাভাষীদের মাঝে এক করুণ দুর্দশা সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলা ভাষার প্রতি রাষ্ট্রীয় উদাসীনতা আরও বিপাকে ফেলেছে। বাংলা ভাষাভাষী মানুষ তামিলনাড়ু গুজরাট আসাম ত্রিপুরা বিহারে আজ অত্যাচারিত আসার কারণে। ঝাড়খন্ডে অগণিত বাংলা ভাষায় স্কুল বাংলা ভাষায় স্কুল বাংলা ভাষায় পড়ানো বন্ধ করেছে। বিহারের একই চিত্র। অলচিকী ভাষায় সেগুলোকে রূপান্তরিত করা হয়েছে। অঙ্গনাড়ী সেন্টার পর্যন্ত। আসামে বাংলা ভাষাভাষী মানুষের বিদ্যালয়গুলো বর্তমানে অসমীয়া ভাষায় রূপান্তর ঘটানো হয়েছে। ক্রমশ বাংলা ভাষাভাষী মানুষের উপরে অত্যাচার নেমে আসছে। বাংলা পাশাপাশি মানুষ ঐক্যবদ্ধ হওয়া অত্যন্ত জরুরী এই মুহূর্তে। তিনি আহ্বান জানান। বাঙালি বিশ্বকোষ পৃথিবীর অগণিত দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক মানুষ যুক্ত হয়েছেন। আগামী দূর্গা পূজার পরে আমরা বিশ্বকোষ প্রকাশ করতে চাই। আপনার সহযোগিতা করুন।”
উদ্বোধক ডঃ রঞ্জিত ধর বক্তব্যে বলেন ভারতের স্বাধীনতার সময় হিন্দু মুসলিম ঐক্যবদ্ধভাবে যে আন্দোলন করেছিল তার ফলস্বরূপ আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম। মানুষ এই দেশে দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা করছে। আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে। পৃথ্বীরাজসেন বক্তব্যে বলেন ভয়ংকর একটি পরিস্থিতিতে দেশ দাঁড়িয়ে আছে বিশেষ করে বাংলা ভাষাভাষী মানুষের উপরে বিভিন্ন প্রান্তে অত্যাচার নেমে আসছে এখনই এর প্রতিরোধ করা দরকার।
বাঙালি বিশ্বকোষ প্রতিষ্ঠার সেই লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে আপনারা সকলে বাঙালি বিশ্বকোষকে সহযোগিতা করুন।
বাংলা ভাষার প্রতি রাষ্ট্রীয় উদাসীনতা আরও বিপাকে ফেলেছে। বাংলা ভাষাভাষী মানুষ তামিলনাড়ু গুজরাট আসাম ত্রিপুরা বিহারে আজ অত্যাচারিত আসার কারণে। ঝাড়খন্ডে অগণিত বাংলা ভাষায় স্কুল বাংলা ভাষায় স্কুল বাংলা ভাষায় পড়ানো বন্ধ করেছে। বিহারের একই চিত্র। অলচিকী ভাষায় সেগুলোকে রূপান্তরিত করা হয়েছে। অঙ্গনাড়ী সেন্টার পর্যন্ত। আসামে বাংলা ভাষাভাষী মানুষের বিদ্যালয়গুলো বর্তমানে অসমীয়া ভাষায় রূপান্তর ঘটানো হয়েছে। ক্রমশ বাংলা ভাষাভাষী মানুষের উপরে অত্যাচার নেমে আসছে। বাংলা পাশাপাশি মানুষ ঐক্যবদ্ধ হওয়া অত্যন্ত জরুরী এই মুহূর্তে। তিনি আহ্বান জানান। বাঙালি বিশ্বকোষ পৃথিবীর অগণিত দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক মানুষ যুক্ত হয়েছেন। আগামী দূর্গা পূজার পরে আমরা বিশ্বকোষ প্রকাশ করতে চাই। আপনার সহযোগিতা করুন।”
উদ্বোধক ডঃ রঞ্জিত ধর বক্তব্যে বলেন ভারতের স্বাধীনতার সময় হিন্দু মুসলিম ঐক্যবদ্ধভাবে যে আন্দোলন করেছিল তার ফলস্বরূপ আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম। মানুষ এই দেশে দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা করছে। আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে। পৃথ্বীরাজসেন বক্তব্যে বলেন ভয়ংকর একটি পরিস্থিতিতে দেশ দাঁড়িয়ে আছে বিশেষ করে বাংলা ভাষাভাষী মানুষের উপরে বিভিন্ন প্রান্তে অত্যাচার নেমে আসছে এখনই এর প্রতিরোধ করা দরকার।
বাঙালি বিশ্বকোষ প্রতিষ্ঠার সেই লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে আপনারা সকলে বাঙালি বিশ্বকোষকে সহযোগিতা করুন।
দিলীপ বিশ্বাস আশ্বাস দেন যে আমরা বিশ্বকোষে অগণিত মানুষকে যুক্ত করে অতি শীঘ্রই আমরা বিশ্বপ্রকাশ করে বাংলা ভাষাভাষী মানুষের ঐক্যবদ্ধ করার প্রচেষ্টার প্রতি আমি আস্থাশীল। স্বামীজিরা তাদের বক্তব্যে মানুষকে ভাষা ও দেশের প্রতি শ্রদ্ধা রাখতে আহ্বান জানান।
এই মহতী অনুষ্ঠান বাংলা ভাষা প্রেমীদের মাঝে একটি উপহার বলা যেতে পারে। প্রায় 200 কবি সাহিত্যিক শিল্পী দের উপস্থিতিতে এক নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। কবিরা কবিতা পাঠ করেন কেউবা গান করে মুখরিত করে তোলেন অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী সুপ্রিয়া ঘোষ। জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষিত হয়।
এই মহতী অনুষ্ঠান বাংলা ভাষা প্রেমীদের মাঝে একটি উপহার বলা যেতে পারে। প্রায় 200 কবি সাহিত্যিক শিল্পী দের উপস্থিতিতে এক নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। কবিরা কবিতা পাঠ করেন কেউবা গান করে মুখরিত করে তোলেন অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী সুপ্রিয়া ঘোষ। জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষিত হয়।


For news coverage and promotions via various newspapers, TV Channels, online websites, social media, etc.
Asish Basak
Ph- 9339228087, 6289583507
E-Mail: hellokolkata1@gmail.com

